
নিজস্ব প্রতিবেদক।
খুলনায় ডাক্তার পাড়ায় নুরুল কুরআন তাহজিদ একাডেমির আট বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে অমানবিক শারীরিক নির্যাতন করেছেন ওই হেফজোখানার শিক্ষক। এমন কি অপরাধ করে ছিল শিশুটির? যার জন্য তাকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে??
শিশুটির নাম ইসমাইল বয়স ৮ বছর।স্থানীয় সংবাদকর্মী খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে দেখে , শিশুর বাবার হাতে ব্যাগ, আর সেই ব্যাগের মধ্যে রয়েছে ছেলের জামা কাপড়, বইসহ অন্যান্য জিনিসপত্র।
আর ওই মাদ্রাসায় ছেলেকে পড়াবে না, ব্যাপারটা খুবই স্বাভাবিক।এত নির্যাতনের পর কোন বাবা-মা চাইবে না তার সন্তান এই রকম মাদ্রাসায় করুক।
সাংবাদিক ছেলের বাবাকে যখন প্রশ্ন করে জানতে চায় আপনার কোন অভিযোগ আছে?ছেলের বাবা কথা বলতে রাজি হলেন না।পরে বললেন ওখানকার কিছু লোক এটা সমাধান করে দিছে।
আবার তাকে জিজ্ঞেস করা হয় সন্তান তো আপনার, এতবড় একটা ঘটনা কারা মিটমাট করল। তাদের নামটা বলেন, তিনি বললেন ঝামেলা কইরেন না মিটে গেছে। ছেলের কাছে যেতে চাইলে তিনি যেতে বাধা দিলেন।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, এই শিশু বাচ্চাটির উপর যে অমানুষিক নির্যাতন হয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার জন্য। আর তার বাবা এরকম এড়িয়ে গেলেন কেন? গভীরভাবে তাও খতিয়ে দেখার জন্য। বলেছে এলাকার অনেকে।