ডেক্স রিপোর্ট

গাজীপুর জেলায় অসহায় এক পরিবারের সম্পত্তি বিভিন্ন কৌশলে, মিথ্যা মামলা এবং ধাপে ধাপে মারামারি, এবং অন্যান্য কৌশলে হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে হাবিবুর রহমান মাস্টার। অসহায় পরিবারটির চোখের পানি কয়েক যুগ ধরেই ঝরতেছে। শ্রীপুর উপজেলা মাওনা ইউনিয়নের বেলতলী গ্রামের পুরাতন ওমর আলীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের বাড়িতে করে যাচ্ছে এসব ঘটনা। খাদিজা আক্তার জানাই ৪০ বছরের অধিক আমার বিয়ে হয়েছে। বাবা, সকল ভাই বোনের সামনে থাকার জন্য জমি দিয়েছে। জমিতে ঘর, এবং দোকান করে খেয়ে না খেয়েই যাচ্ছে আমাদের জীবন। ভাই,বোন, সবাই জানিয়েছে হাবিবুর মাস্টার খাদিজার সম্পত্তি দখল করে নেওয়ার জন্য চেষ্টা করতেছে, এবং তাকে অনেকবার মারপিট করেছে। শান্তা আক্তার জানাই হাবিবুর রহমান আমার মামা হয় আমাদের পরিবার টি কে এমন কোন অত্যাচার নির্যাতন করার বাকি রাখেনায়। সুলতানা জানিয়েছে মামা হাবিবুর রহমান মাস্টার, লোকজন নিয়ে সোমবার গভীর রাত্রে গাছগুলো কেটে ফেলছে আমি দেখেছি। হাবিবুর রহমানের বড় ভাই রমিজ উদ্দিন জানিয়েছে, হাবিবুর রহমান মাস্টার একজন অত্যন্ত খারাপ লোক, আমার বোন খাদিজাকে একাধিকবার পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। আমাকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। আমার ছোট ভাই তাকেও মেরে মাথা ফাটিয়ে ১৮ টা সেলাই লেগেছে। আমার বোনের জমি দখল করে নিতে চাচ্ছে এবং ঘাসগুলো সে কাটতে পারে আমার জানা মতে। তার আরেক ভাই আব্দুর রহিম মুঠোফোনে জানিয়েছে হাবিবুর মাস্টার আমাকে মাথায় বাড়ি দিয়ে মাথা ফাটিয়ে ফেলছে আমি দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলাম। এলাকাবাসী মরিয়ম জানিয়েছে, এইসব ঘটনা একাধিক ঘটেছে। আরেকজন এলাকাবাসী আক্তার হোসেন জানিয়েছে, দাঁতের মধ্যে অনেক মারামারির ঘটনা হয়েছে। আরেকজন এলাকাবাসী মান্নান জানিয়েছে ঘটনা সত্য একাধিক মারপিট করেছে, এবং গাছগুলো কেটে ফেলছে, একটা টং দোকান ছিল সেটাও ভেঙে ফেলছে। আরেকজন এলাকাবাসী আহাম্মদ জানিয়েছে খাদিজার মাথা ফাটিয়ে ফেলছিল, চোখে প্রচন্ড আঘাত করেছিল, আমি নিজেই হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেছি, এবং দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিল। বাড়ির পাশের দোকানদার হারুন জানিয়েছে, ঘটনা হয়েছে আমরা শুনেছি দেখি নাই। আরেক দোকানদার জানিয়েছে রফিকুল ইসলাম রবো রাতের অন্ধকারে গাছগুলো কেটেছে, কে কেটেছে আমরা জানিনা। দোকান ভাঙচুর হয়েছে এটা আমরা শুনেছি, এবং পড়ে দেখেছি, কি ঘটনা ঘটেছে আমরা বলতে পারব না। খাদিজা আক্তার জানাই তার স্বামী সন্তান নিয়ে খেয়ে না খেয়ে জীবন যাপন করে যাচ্ছি। ফল ধরেছে ঘাসগুলো কেটে মাটিতে ফেলে দিয়েছে হাবিবুর রহমান মাস্টারে। আমার ছোট মেয়ে দেখেছে গাছগুলো কেটে ফেলছে, চিৎকার করতেই হাবিবুর রহমান জানালা দিয়ে চুরি ধরেছে মেয়ের গলায় । একাধিকবার খাদিজার বাড়িতে এসে পিটিয়ে মাথা ফাটানো সহ, রক্তাক্ত যখন করেছে হাবিবুর মাস্টার সহ লোকজন। ভাই বোন সবাই জানিয়েছে হাবিবুর রহমান একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি, সে কারো কথা শুনেনা। অসহায় পরিবারটিকে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। হাবিবুর রহমান মাস্টার জানিয়েছে তারা নিজেরাই গাছ কেটে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করতেছে, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দিয়েছে সেগুলোর কিছুই আমি করিনায়, এসব সবগুলো মিথ্যে। হাবিবুর মাস্টারের স্ত্রী জানাই জমি আমাদের খাদিজা জোর করে এখানে থাকতেছে। খাদিজা জানিয়েছে শ্রীপুর থানায় একাধিক অভিযোগ দিয়েছি বিচার পাইনি।