নিজস্ব প্রতিনিধি নুর হোসেন সুমন।

ময়মনসিংহ গফরগাঁও বারুইল মধ্যপাড়া পাঁচোয়ার মোড় সংলগ্ন উত্তর পাশে ইসলামিয়া আলিমিয়া মূহিউস সূন্নাহ মাদ্রাসার হুজুর মাসুম বিল্লার রোজাদার ৯ বছরের ছাত্র জুনায়েদ কে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে আটকে রেখেছে , ঔষধ না পেয়ে যন্ত্রণায় কাতরা ছিল জুনায়েদ। মাদ্রাসার
দরজা জানালা বন্ধ করে নির্যাতনের কোন কমতি রাখে নি শিক্ষক মাসুম বিল্লাল। জুনায়েদ কে ৭ মাস আগে দিন এলেম শিক্ষার জন্য -বাবা মা, মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়াছেন। মাদ্রাসার শিক্ষক নামের এক পশু জুনায়েদ সহ পূর্বে আরো অনেক ছাত্রদেরকে পিটিয়ে আহত করেছে এমন অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। ছাত্রদের অভিভাবকরা মাইরের কথা শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে শিক্ষক বলেদেয় আমার মাদ্রাসার ছাত্রকে আমি শাসন করি। এই শিক্ষকের ভয়ে অনেক ছাত্র রাতের অন্ধকারে পালিয়ে গিয়েছে, ছাত্রদেরকে পিটিয়ে আহত করার পরেও গার্জিয়ানদের কে জানায়নি এবং এক টাকার ওষুধ কিনে দেয় নি। ছাত্রদেরকে যখন মারপিট করে হাতে পায়ে ধরে তারপরেও রেহাই পাইনি, আরো হিংস্র হয়ে ওঠে।
প্রান বাঁচানোর জন্য জুনায়েদ ৫ দিন পর বন্দী থেকে পালিয়ে এসেছে তার নিজ বাড়িতে।
জুনায়েতের বাবা বলেছেন আমার ছেলেকে পিটি আহত করেছে শিক্ষক। শিক্ষক শিক্ষক বলেছেন জুনায়েদকে আমি শাসন করেছি। জানা গেছে মাদ্রাসার দরজা জানালা বন্ধ করে শরীলের অনেক বেতের আঘাতের কালো চিহ্ন রয়েছে । সোহেল মিয়া বাদী হয়ে গফরগাঁও থানায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। গার্জিয়ানরা বলেছেন শিক্ষকের যেন কঠিন শাস্তি হয়।