নিজস্ব প্রতিনিধি
নুর হোসেন সুমন।
ময়মনসিংহ জেলা ভালুকা উপজেলা হবিরবাড়ী ইউনিয়নে লবণ কোটা গ্রামে মাদকের প্রতিবাদ করায় দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় ও মারামারি, সোমবার বিকেলে সেলিমের ছেলে রাব্বী আম বাগানে গাজা খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। লিটনের ছেলে নাদিম নেশা খাওয়ার কথা নিষেধ করলে তার দিখে ক্ষিপ্ত হয়, এক পর্যায়ে মারামারির সৃষ্টি হয়। শাহাদাত ডাইভারের ছেলে সাজিদ ঘটনাটি শুনতে পেয়ে দৌড়িয়ে তাদের কাছে যায়। তারা তিনজন আবারো কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে যায়। ঝগড়া থামানোর জন্য বাড়ি থেকে শেফালী বেগম ও তার বোন হনুফা এসে উত্তেজিত পরিস্থিতি থামানোর চেষ্টা করে। তাদের হইহুল্লাহ চেচামেচি শুনে বিবাদীরা মাজেদার নেতৃত্বে ৪/৫ জন সকলেই লাঠি হাতে নিয়ে ঘটনাস্থলে আসে এবং সকলেই মারামারিতে জড়িয়ে যায়।এক পর্যায়ে মাজেদা হনুফা কে তলপেটে লাথি মারে, হনুফার গর্ভে থাকা তিন মাসের বাচ্চা নষ্ট হয়ে যায়, এবং ব্লাড যেতে শুরু করে। বিবাদী মাজেদাদেরকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলেছে বাচ্চা কিভাবে নষ্ট হয়েছে সেটা তারা বলতে পারবে না। হনুফার পাশে থাকা লোকজন তাকে চিকিৎসার জন্য ভালুকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, ভালুকা থানায় বিষয়টি অবগত করলে থানার অফিসার রোগীকে চিকিৎসা করানোর জন্য বলে দেয়, রোগীর অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার পাঠিয়ে দেয়, ময়মনসিংহ মেডিকেলে ৭ দিন চিকিৎসার পর রোগী কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে এমনটাই জানিয়েছে ভুক্তভোগি পরিবার। হনুফার স্বামী শরীফ বাদী হয়ে ভালুকা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এমনটাই জানতে পেরেছি। থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত করে যায়। বিবাদীরা বাদীকে একেবারে মেরে ফেলবে বলে এমন হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।