নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

 

ভুক্তভোগী শাপলা বলেন, বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়ি ময়মনসিংহ ভালুকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে শিশু সন্তানসহ রওনা হন। সন্ধ্যায় পথ হারিয়ে ফেলে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে নান্দাইল তাড়াইল সড়কের একটি বিলের ধারে নিয়ে যায়। সেখানে চারজন মিলে পালাক্রমে তাকে ধ/র্ষ/ণ করে। পরবর্তীতে আরও দুইজন তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে পুনরায় ধ/র্ষ/ণ করে। মোট ৬ জন মিলে তাকে ধ/র্ষ/ণ করেন। ধ/র্ষ/ণের সময় কাছে থাকা শিশুটি চিৎকার করলে তাকে জোরপূর্বক টেনে নিতে চাইলে শাপলা ঝাপটে ধরে রাখেন। এ সময় ধ/র্ষ/ণ/কারীরা শিশুকে আ/ঘা/ত করে। এতে বাম চোখের নিচে ক্ষ/ত হয়।

 

সুজন মিয়া ইজিবাইক চালক বলেন রাতে নান্দাইল তাড়াইল সড়কের শিমুলতলী বাজারে ইজিবাইক চালাচ্ছিলাম।ওই সময় গভীর রাতে শিশু কোলে এক নারীকে কাঁদতে দেখে কাছে গিয়ে জানতে চাইলে ওই নারী বলেন তাকে পালাক্রমে ধ/র্ষ/ণ করেছে। নারীর এসব বর্ণনা শুনে সুজন মিয়া নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। পরে নারীকে খাবার ও থাকার ব্যবস্থা করেন। ঘটনা জানাজানি হলে কান্দিউড়া গ্রামের কাজল মিয়া নামে এক যুবক ওই নারীকে নিজের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। অন্যদিকে, স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মো. বাসারত মিয়া ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তৎপর হয়ে ওঠেন। তিনি আশ্রয়দাতা পরিবার সুজন মিয়াকে হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করেন এবং পুলিশকে না জানানোর জন্য চাপ দেন। এতে আ’ত’ঙ্কি’ত হয়ে পড়ে আশ্রয়দাতা পরিবারটি। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহ নান্দাইল উপজেলার শিমুলতলী এলাকায়।