• শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন

পুলিশ কনস্টেবল এর মেয়ে অপহরণ। সহযোগিতা নিলেন ডিআইজির।

Reporter Name / ৪৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

পুলিশ কনস্টেবলের সুন্দরী মেয়ে অ/পহরণ/উদ্ধার করতে ওসি চাইলেন ঘুষ, হলেন ডিআইজির শরণাপন্ন।..বিস্তারিত কমেন্টে..
থানায় সাহায্য চাইতে আসলে সাহায্য করতে নারাজ ভারপ্রাপ্ত ওসি –
চাইলেন বড় অংকের ঘুষ,ব্যর্থ হয়ে পুলিশ সদস্য ডিআইজির শরণাপন্ন।
​বগুড়ার আদমদিঘীতে কর্মরত এক কনস্টেবল বাবার চোখের সামনে যখন তার প্রিয় সন্তান নিখোঁজ হয়, তখন তিনি একজন পিতা হিসেবে নন, একজন ‘সিস্টেম’র অংশ হিসেবে থানায় ছুটে যান। কিন্তু ওসির টেবিলে গিয়ে তিনি যে উত্তরটি পেলেন—তা কোনো সাধারণ কথোপকথন নয়, বরং এই সময়ের চরম বাস্তবতা।
​ওসি সাহেবের মুখে শোনা গেল সেই চিরচেনা, ভয়ংকর আপ্তবাক্য— “তুমি তো জানো, সাপ সাপকেই খায়!”
​যেখানে একজন পুলিশ সদস্য নিজের কর্মস্থলেই নিরাপত্তা পান না, যেখানে একজন বাবার আর্তনাদকে অর্থের বিনিময়ে কেনাবেচার পণ্যে পরিণত করা হয়, সেখানে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
যে পোশাকটি বুক চিতিয়ে চলার সাহস জোগায়, আজ সেই পোশাকই যেন ঘুষ আর সন্ত্রাসের যাঁতাকলে পিষ্ট।
​একজন কনস্টেবল যখন তার নিজের মেয়ের জীবন বাঁচাতে ডিআইজি স্যারের শরণাপন্ন হতে হয়, তখন বুঝতে বাকি থাকে না যে, ক্ষমতার এই সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে ওপরতলার মানুষটি হয়তো নিচে তাকিয়ে দেখতে পান না—নিচে কত বড় এক মানবিক বিপর্যয় ঘটে যাচ্ছে।
​আমরা কি তবে আইন নয়, বরং অরাজকতার এক নতুন সংজ্ঞায় বাস করছি? যেখানে জীবনের চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়ায় পকেটের ওজন?
​আজ সেই বাবার আর্তনাদ শুধু একটি পরিবারের কান্না নয়, এটি আমাদের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর এক গভীর ক্ষত।
প্রশ্ন রেখে গেলাম—যদি রক্ষকের ঘরেই অন্ধকার থাকে, তবে আলো কোথায় খুঁজবে সাধারণ মানুষ?
কমেন্টে পুলিশ সদস্য ও জবাব বন্দি দেওয়া আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা