রাত ১২টার সময় ঘুমন্ত অবস্থায় নিজের দুই অবুঝ নাতি নাতনির সামনেই পুত্রবধূর ওপর বাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে নরপশু সেই শ্বশুর। বাচ্চাদের কান্নাও থামাতে পারেনি সেই হায়েনার পাশবিকতা।
সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো, এই ভয়াবহ ঘটনার কথা স্বামী জানার পর স্ত্রীর পাশে দাঁড়ানো তো দূরের কথা, উল্টো নিজের স্ত্রীকেই ‘খারাপ’ বানিয়ে দিলেন। প্রভাব আর টাকার দাপটে পরিবারের সবাই আজ এই নারীকে অপরাধী বানাতে ব্যস্ত।
বিচার পাওয়ার আশায় শ্রীপুর থানায় গিয়েও মেলেনি স্বস্তি। অভিযোগ উঠেছে, এসআই আলমগীর এই ঘটনার তদন্তের জন্য অসহায় ওই নারীর কাছে ৮০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছেন!
এমনকি ওসি সাহেবের কাছে গিয়েও মিলেছে অবজ্ঞা। “অনেকদিন হয়ে গেছে, এখন আর কী হবে?”—এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করে পুলিশ কি অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে?
টাকা আছে বলেই কি শ্বশুর আর তাঁর ভাইরা পার পেয়ে যাবে? পুলিশের কাজ কি অপরাধীকে ধরা নাকি টাকার বিনিময়ে অপরাধ ধামাচাপা দেওয়া? আমরা এই অসহায় বোনের হয়ে বিচার চাই।
গাজীপুরের উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি—শ্রীপুর থানার এই গাফিলতি ও এসআই আলমগীরের দুর্নীতির তদন্ত হোক।
নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে এই বোনটি আজ জনসম্মুখে সত্য বলেছেন।
তাঁর এই সাহসিকতাকে সম্মান জানাতে এবং পাষণ্ড শ্বশুর ও দুর্নীতিবাজ পুলিশের বিচার নিশ্চিত করতে ভিডিওটি সর্বোচ্চ শেয়ার করুন। আপনার একটি শেয়ার হয়তো আইজিপি (I মহোদয়ের নজরে পৌঁছাবে।