• শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
Headline
গার্মেন্টস শ্রমিক অসুস্থতার পর ছুটি না পেয়ে রাতে আবার ডিউটি মিনা চিকিৎসায় গার্মেন্টসের ভেতরে শ্রমিকের মৃ, ত্য হয়েছে। গেটের সামনে শ্রমিকদের আন্দোলন। মাদ্রাসার ছাত্রকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে ময়মনসিংহে ব্যাংক কর্মকর্তার মারপিট ঘটনায় সাইফুল আটক নোয়াখালী সুবর্ণচর, মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন মাদক নেশা বন্ধ করতে বলার অপরাধে এক নারীকে যুবদল নেতার আ*ক্রমণ মহিলা নেশার বিরুদ্ধে কথা বলছিল রাজাবাড়ি আলরাজ মেডিকেলে মুমূর্ষ অবস্থায় থাকা নারী ও শিশুর পরিচয় শনাক্ত সঙ্গে ২০ দিনের শিশু এবার ১২ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের করলো পুলিশ পরিদর্শক,আপাতত শাস্তি হিসেবে প্রত্যাহার। গফরগাঁওয়ে খাল ভরাট করে জমি দখলের অভিযোগ, পুনরায় খননের দাবি কৃষকদের গফরগাঁওয়ে কলেজ ছাত্র রবিন কে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গফরগাঁওয়ে নতুন রাস্তার গর্তের পানিতে ডুবে এক শিশু নিহত হয়েছে আরেকজন আহত হয়েছে। ধোবাউড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি ব্রিজ ভেঙে পড়ল: বালুবাহী ট্রাকসহ নদীতে, সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

টিক টক করার অপরাধে দাফনে বাঁধা।

Reporter Name / ১৭৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

চুয়াডাঙ্গায় টিকটক করার অভিযোগ তুলে সুবর্ণা আক্তার (৩৫) নামে এক নারীর মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনা দেশজুড়ে আলোচনা তৈরি করেছে।

জানা গেছে, সুবর্ণা ঝিনাইদহ শহরে দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন। বুধবার রাতে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারের দাবি। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ চুয়াডাঙ্গা শহরতলীর দৌলতদিয়াড় এলাকায় নেওয়া হলে স্থানীয়দের একাংশ দাফনে বাধা দেয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সুবর্ণা টিকটকে “অশ্লীল” ভিডিও বানাতেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নাচ-গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এছাড়া তার পরিবারের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগও তোলা হয়। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি প্রশাসন।

পরিবারের দাবি, এর আগেও তাদের পরিবারের একজন সদস্য মারা গেলে একই কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল। কিন্তু এবার কবর খোঁড়ার কাজ পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে বাধ্য হয়ে অন্যত্র দাফনের চিন্তা করতে হয় স্বজনদের।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সুবর্ণার প্রথম স্বামীর সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। প্রায় ছয় বছর আগে দাম্পত্য কলহের জেরে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন।

ঘটনাটি এখন শুধু একটি দাফন বাধার ঘটনা নয়, বরং সমাজের মানবিকতা ও সামাজিক বিচার নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। একজন মানুষের জীবদ্দশার কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু মৃত্যুর পর শেষ বিদায়টুকু নিয়েও যদি বিরোধ তৈরি হয়, তাহলে সেটি নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা