• শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
Headline
চোখের সামনেই মুহূর্তের মধ্যে তলিয়ে গেল জীবনের সবটুকু সঞ্চয় আর শেষ অবলম্বন শ্রীপুর উপজেলা শিল্পাঞ্চল শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক বাবার পর এবার দুই অবুঝ এতিম শিশুকেও পুড়িয়ে মারার চেষ্টা! শ্রীপুরের এই নৃশংসতা কি থামবে না? অবিশ্বাস্য এক প্রেম কাহিনী, ধোবাউড়ায় শিশুকে দলবদ্ধ ধ/র্ষ/ণের ও পর হ/ত্যা মামলায় ৩ জনের মৃ/ত্যু/দ/ণ্ড। পানির বদলে ভুল করে অ্যাসিড পান করল ৪ বছরের নিষ্পাপ শিশু—আর তাতেই নিভে গেল একটি কোমল প্রাণ। শ্রীপুরে কালার গার্মেন্টসে ২ দিনে দেড় শতাধিক শ্রমিক অ’সুস্থ, কারণ নিয়ে ধোঁ’য়া’শা.! টঙ্গী পশ্চিম থানার অভিযানে অস্ত্র, মাদকসহ ১৬ জন গ্রেপ্তার গার্মেন্টস শ্রমিক অসুস্থতার পর ছুটি না পেয়ে রাতে আবার ডিউটি মিনা চিকিৎসায় গার্মেন্টসের ভেতরে শ্রমিকের মৃ, ত্য হয়েছে। গেটের সামনে শ্রমিকদের আন্দোলন। মাদ্রাসার ছাত্রকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে

এবার ১২ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের করলো পুলিশ পরিদর্শক,আপাতত শাস্তি হিসেবে প্রত্যাহার।

Reporter Name / ১২৩ Time View
Update : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালীর হাতিয়ায় ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পরপরই তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নোয়াখালী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন।

তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে,বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাটি সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচনা করে প্রাথমিকভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

ভুক্তভোগী শিশুর জবানবন্দি ও পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,শিশুটির মা ও ভাই দীর্ঘদিন ধরে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নার কাজ করতেন,সেই সূত্রে ওই শিশুরও তদন্ত কেন্দ্রে যাতায়াত ছিল।

অভিযোগে বলা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডেকে নিতেন,সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

ভুক্তভোগীর পরিবার আরও অভিযোগ করেছে, ঘটনাগুলো কাউকে না জানানোর জন্য অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে হুমকি দিতেন,পাশাপাশি বিভিন্ন সময় টাকা দেয়ার প্রলোভনও দেখানো হতো বলে দাবি করা হয়েছে,পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে এতদিন বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর প্রতিবেশী হিমেল বলেন, এ ঘটনায় হাতিয়া ও আশপাশ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন,একইসঙ্গে দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন আরও বলেন,অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা