• শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
Headline
স্কুলছাত্রী ভাগ্নীকে মেয়ের মামা ধর্ষণের চেষ্টা করেছে এবং তিনটি দাঁত ভেঙে দিয়েছে। ভাইকে খুঁজতে এসেছিল এক যুবক। দরজা খুলে বোন বললেন, “সাজ্জাদ ভাই নেই।” এরপরই বের হলো ছুরি। মুহূর্তের মধ্যে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন ২৩ বছরের সানজিদা আক্তার। চীনের যুবকের বাংলাদেশে এসে বিয়ে গাজীপুরে মাদ্রাসার ছাত্রকে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দেওয়ার শিক্ষককে থানায় নিল পুলিশ। টুঙ্গিপাড়ায় হাত-পা বেঁধে দলবদ্ধ ধর্ষণ, হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন গৃহবধূ নলছিটিতে মায়ের টাকা চুরির সন্দেহে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ছ্যাঁকা দেওয়ার অভিযোগ, কিডনি বিক্রির চেষ্টা। খুলনায় স্কুলের ভিতরে বাথরুম থেকে হাত-পা-মুখ বাঁ-ধা ছাত্রী উদ্ধার ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছিলেন ৭৫ বছর বয়সী আবু তাহের মজুমদার হাতে ছিল লিখিত অভিযোগ। ৫০০ টাকা ভাড়ার জন্য চুল বিক্রি! দুই সন্তান নিয়ে রেললাইনের পাশে অসহায় রেহানা বিয়ে হয়নি, তবুও সন্তানের মা—এক কিশোরীর না বলা কান্নার গল্প

অবিশ্বাস্য এক প্রেম কাহিনী,

Reporter Name / ১৬৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

ভালোবাসা টানে পরিবারকে না জানিয়ে ঢাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে রাজবাড়ীর পাংশায় চলে এসেছে পঞ্চম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া দুই অবুঝ প্রেমিক-প্রেমিকা।
বয়স কত হবে ১০/১১ বছর। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের ; পাংশা মডেল থানা পুলিশের সন্দে’হের জেরে বর্তমানে তারা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তাদের সঙ্গে এসেছে প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া তাদের এক বন্ধুও।
জানা যায়, ঢাকার মিরপুরের একটি বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ালেখা করে মোহাম্মদ রাহুল। সে পড়াশোনার পাশাপাশি হোটেলেও কাজ করেন।পিচ্চি ছেলেটার বাপের হোটেল মেয়েটা নাস্তা কিনতে যাইতো প্রতিদিন সকালে।
মাহি একই এলাকার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী । সেখান থেকেই মাহির প্রতি এক ভালো লাগা তৈরি হয় রাহুলের। পরবর্তীতে এক বন্ধুর মাধ্যমে মাহিকে প্রেমের প্রস্তাব পাঠান রাহুল। প্রথম তিনবার মাহি তা প্রত্যাখ্যান করে, চতুর্থবারের চেষ্টায় অবশেষে রাজি হয় মাহি। এরপর গত এক বছর ধরে চলছিল তাদের এই প্রেমের সম্পর্ক।
রাহুলের বয়স মাত্র ১১ বছর আর মাহির বয়স মাত্র ১০ বছর। এদের মধ্যে এদের আবার প্রেমের সম্পর্ক ১ বছরের,ভাবা যায়। বয়স কম হওয়ায় দুই পরিবারই তাদের এই সম্পর্ক কোন ভাবেই মেনে নেয়নি। এর জের ধরে গত শুক্রবার রাহুল ও মাহি তাদের বন্ধু প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া রোজানের সহায়তায় বাড়ি থেকে পালিয়ে আসে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে। এরপর তাদের পরিবার বিভিন্ন স্থানে সন্তানদের খোঁজাখুঁজি করলেও তারা কোনো সন্ধান পায়নি।
রাহুল এবং মাহি নিজেদের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে তাদের বন্ধুকে নিয়ে গত সোমবার দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে রাজবাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি রাজবাড়ীর পাংশা সরদার বাসস্ট্যান্ডে এসে পৌঁছায়। গভীর রাতে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে এত ছোট শিশুদের দেখে টহল পুলিশের মনে স’ন্দেহ হয়। পরে পাংশা মডেল থানা পুলিশ তাদের উ’দ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে প্রেমিক-প্রেমিকা পুলিশের কাছে নিজেদের প্রেমের কথা স্বীকার করেন। তারা জানায়, “আমরা দুজন দুজনকে ভালোবাসি এবং বিয়ে করতে চাই। পরিবার রাজি না হওয়ায় বাড়ি থেকে আমরা পালিয়ে এসেছি। আমাদের বিয়ে না দিলে আমরা আ//ত্ম//হ//** করব।” তবে তাদের সঙ্গে আসা বন্ধু রোজান জানায়, সে এই পালিয়ে আসার মূল কারণ আগে জানত না। ঢাকা থেকে রওনা হওয়ার পর সে পুরো বিষয়


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা