• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
Headline
স্কুলছাত্রী ভাগ্নীকে মেয়ের মামা ধর্ষণের চেষ্টা করেছে এবং তিনটি দাঁত ভেঙে দিয়েছে। ভাইকে খুঁজতে এসেছিল এক যুবক। দরজা খুলে বোন বললেন, “সাজ্জাদ ভাই নেই।” এরপরই বের হলো ছুরি। মুহূর্তের মধ্যে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন ২৩ বছরের সানজিদা আক্তার। চীনের যুবকের বাংলাদেশে এসে বিয়ে গাজীপুরে মাদ্রাসার ছাত্রকে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দেওয়ার শিক্ষককে থানায় নিল পুলিশ। টুঙ্গিপাড়ায় হাত-পা বেঁধে দলবদ্ধ ধর্ষণ, হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন গৃহবধূ নলছিটিতে মায়ের টাকা চুরির সন্দেহে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ছ্যাঁকা দেওয়ার অভিযোগ, কিডনি বিক্রির চেষ্টা। খুলনায় স্কুলের ভিতরে বাথরুম থেকে হাত-পা-মুখ বাঁ-ধা ছাত্রী উদ্ধার ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছিলেন ৭৫ বছর বয়সী আবু তাহের মজুমদার হাতে ছিল লিখিত অভিযোগ। ৫০০ টাকা ভাড়ার জন্য চুল বিক্রি! দুই সন্তান নিয়ে রেললাইনের পাশে অসহায় রেহানা বিয়ে হয়নি, তবুও সন্তানের মা—এক কিশোরীর না বলা কান্নার গল্প

ভাইকে খুঁজতে এসেছিল এক যুবক। দরজা খুলে বোন বললেন, “সাজ্জাদ ভাই নেই।” এরপরই বের হলো ছুরি। মুহূর্তের মধ্যে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন ২৩ বছরের সানজিদা আক্তার।

Reporter Name / ১০ Time View
Update : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গাজীপুরের কোনাবাড়ীর আমবাগ আতাউর মার্কেট এলাকায়। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সানজিদার ভাড়া বাসার সামনে এক যুবক এসে তাঁর ভাই সাজ্জাদ হোসেনের নাম ধরে ডাকাডাকি করছিলেন। সাজ্জাদ বাসায় না থাকায় তাঁর বোন সানজিদা দরজা খুলে কথা বলেন। তখনই ওই যুবক তাঁর বুকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় বলে পরিবারের অভিযোগ।

সানজিদার চিৎকার শুনে তাঁর ভাবি ছুটে আসেন। পরে আশপাশের মানুষজনও এগিয়ে আসেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পথেই শেষ হয়ে যায় তাঁর জীবন।

সানজিদা বরিশালের শাজাহান হাওলাদারের মেয়ে। সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিনি গাজীপুরে ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। অন্য একটি প্রতিবেদনে তাঁকে ওমানপ্রবাসী জুয়েল রানার স্ত্রী বলা হয়েছে।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাই, সাজ্জাদকে খুঁজতে এসে কেন তাঁর বোন সানজিদাকে হত্যা করা হলো?

সাজ্জাদের ভাষ্য, তাঁর কারও সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই। তাহলে একজন মানুষকে খুঁজতে এসে তাঁর পরিবারের একজন নিরপরাধ সদস্যকে হত্যার কারণ কী?

পুলিশও এখনো হত্যার কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি। কোনাবাড়ী থানার ওসি মো. ইফতেখার হোসেন জানিয়েছেন, টাকা লেনদেন, প্রেমঘটিত বিষয় কিংবা অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে হামলাকারীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

একটি পরিবার এখন শুধু জানতে চায়, ২৩ বছরের সানজিদার অপরাধ কী ছিল?

তিনি শুধু দরজা খুলে বলেছিলেন, “সাজ্জাদ ভাই নেই।”

এই একটি বাক্যের পরই তাঁর জীবন থেমে গেল। এখন তদন্তের মাধ্যমে বের হয়ে আসুক আসল সত্য, আর দ্রুত গ্রেপ্তার হোক এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা