• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
Headline
স্কুলছাত্রী ভাগ্নীকে মেয়ের মামা ধর্ষণের চেষ্টা করেছে এবং তিনটি দাঁত ভেঙে দিয়েছে। ভাইকে খুঁজতে এসেছিল এক যুবক। দরজা খুলে বোন বললেন, “সাজ্জাদ ভাই নেই।” এরপরই বের হলো ছুরি। মুহূর্তের মধ্যে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন ২৩ বছরের সানজিদা আক্তার। চীনের যুবকের বাংলাদেশে এসে বিয়ে গাজীপুরে মাদ্রাসার ছাত্রকে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দেওয়ার শিক্ষককে থানায় নিল পুলিশ। টুঙ্গিপাড়ায় হাত-পা বেঁধে দলবদ্ধ ধর্ষণ, হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন গৃহবধূ নলছিটিতে মায়ের টাকা চুরির সন্দেহে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ছ্যাঁকা দেওয়ার অভিযোগ, কিডনি বিক্রির চেষ্টা। খুলনায় স্কুলের ভিতরে বাথরুম থেকে হাত-পা-মুখ বাঁ-ধা ছাত্রী উদ্ধার ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছিলেন ৭৫ বছর বয়সী আবু তাহের মজুমদার হাতে ছিল লিখিত অভিযোগ। ৫০০ টাকা ভাড়ার জন্য চুল বিক্রি! দুই সন্তান নিয়ে রেললাইনের পাশে অসহায় রেহানা বিয়ে হয়নি, তবুও সন্তানের মা—এক কিশোরীর না বলা কান্নার গল্প

গাজীপুরে শিশু হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name / ১০০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৮

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মোঘরখাল এলাকার সাড়ে তিন বছর বয়সি শিশু সাদিয়া আক্তার হত্যা মামলায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে গাজীপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক এ দণ্ডাদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- রাজশাহীর বাঘা থানার কালিদাসখালি এলাকার ওয়াছিন মোল্লা ফকিরের ছেলে ফারুক মোল্লা (৩১)। তিনি গাজীপুরে গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে মোগরখাল এলাকার ফজলু মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক মোল্লা পলাতক রয়েছেন।

এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ফারুক মোল্লা মোঘরখাল এলাকার শাহজাহান ওরফে সাজুর বাসায় ভাড়া থেকে বিভিন্ন কারখানায় চাকুরি করতেন। বনিবনা না হওয়ায় এক পর্যায়ে শাহজাহান তাকে (ফারুক মোল্লা) বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরে তিনি একই এলাকার ফজলু মিয়ার বাড়ি ভাড়া নেন। বিভিন্ন সময় ফারুক মোল্লা মোবাইল ফোনে শাহজাহানের ক্ষতি করার কথা বলে হুমকি দিতেন। ২০১২ সালের ১৯ অক্টোবর রাতে শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকে ছুরি দিয়ে শাহজাহানের মেয়ে সাদিয়া আক্তারকে পিঠে দুইটি আঘাত করে পালিয়ে যান। পরে স্বজনরা সাদিয়াকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে এ ব্যাপারে নিহতের মা দুলালী বেগম বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় মামলা করেন।

পুলিশ তদন্ত শেষে ফারুক মোল্লাকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। সাক্ষ্য গ্রহণ ও শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার ওই রায় দেন বিচারক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা